ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থা জেনে সিদ্ধান্ত || ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে বিকেলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, বিকেলে মিটিং আছে। আমরা ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করব, তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেইঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণি বিপদ সংকেতের মধ্যে থাকবে নাকি মহাবিপদ সংকেত আকারে আসছে তা বিকেলে জানা যাবে। আমরা বিকেলে আন্ত:মন্ত্রণালয়ের মিটিং ডেকেছি। সেখানে সর্বশেষ আবহাওয়া বার্তা অনুযায়ী আমাদের কী করণীয় সেই সিদ্ধান্ত নেব। তবে মহাবিপদ সংকেত দেখানো হলে আমাদের প্রস্তুতিগুলো যেগুলো আমরা নিয়েছি, সেগুলো আবার আমরা রিফর্ম করব।

তিনি বলেন, ফণি এখন বাংলাদেশ সীমানা থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে আছে। বর্তমানে এটি ঘণ্টায় ২৭ কিলোমিটার গতিতে এগিয়ে আসছে। ঘূর্ণিঝড়ের ভেতরে বাতাসের গতিবেগ বর্তমানে আছে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটারে বেগে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাংলাদেশে ফণি আঘাত হানতে পারে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

বাতাসের গতিবেগ বাড়লে কর্মপরিকল্পনা কি হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কর্মপরিকল্পনা একইরকম। বাতাসের গতিবেগ বাড়লেও কর্মপরিকল্পনার পরিধি বৃদ্ধির সুযোগ নেই। ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া, তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা এবং পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আলোচনার মাধ্যেমে সিদ্ধান্ত নেব এবং তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করব।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোলরুম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মহাবিপদ সংকেত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাবে। ৪ হাজার ৭১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রকে প্র্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। যাতে মানুষ আশ্রয় নিতে পারেন। এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সোলার সিস্টেম রাখা হয়েছে। তাদের সুপেয় পানির জন্য ত্রিশটি ট্রাক মাউন্টেন রাখা হয়েছে। এসব ট্রাক মাউন্টেন লবণাক্ত পানিকে সুপেয় করে প্রস্তুত করা হবে।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। সিপিসির হেড কোয়ার্টার এবং উপকূলীয় ১৯টি জেলায় কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। এসব জেলার উপজেলা পর্যায়েও কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক টিম প্রস্তুত রয়েছে।

Post a Comment

0 Comments